বাঙালির বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। আজ ২ ডিসেম্বর। একাত্তরের আজকের দিনে বাঙালির সর্বাত্নক প্রতিরোধ যুদ্ধ বিজয়ের পথকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের শেষ প্রান্তে মুক্তিযোদ্ধারা অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যান চুড়ান্ত বিজয়ের দিকে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একের পর এক বিজয়ের খবর আসতে থাকে। রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, বেনাপোল, সিলেট, বগুড়াসহ সীমান্তবর্তী ক্যাম্পগুলো দখল করে নেন মুক্তিযোদ্ধারা। সাভার, নারায়নগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুরসহ চারদিক থেকে ঢাকাকে ঘিরে ফেলে সাহসী মুক্তিযোদ্ধারা। এ ভাবেই সারাদেশে পাক বাহিনী পিছু হটতে থাকে। শক্রপক্ষ বুঝতে পারে, মুক্তিযোদ্ধাদের আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। এ রকম পরিস্থিতিতে সেদিন বিবিসি খবর প্রকাশ করে- বিগত ২৪ ঘন্টায় ঢাকায় ৫টি স্থানে বোমা বিস্ফোরন হয়েছে। রামপুরা ও মালিবাগে বিস্ফোরনে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। খবরে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম আযম অদূর ভবিষ্যতে পাকিস্থানে জাতীয় সরকার গঠনের ইঙ্গিত দিয়ে দাবি করেছেন সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেন পূর্ব পাকিস্থান থেকে মনোনীত করা হয়। তার মতে, তবেই নাকি প্রদেশের মানুষের আস্থা ফিরে পাওয়া যাবে। আজ শুক্রবার বিকাল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ঐতিহ্য সংসদের উদ্যোগে 'স্বাধীনতার ৪০ বছর : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক' এক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সিপিবির কর্মসূচি : ৪ ডিসেম্বর : ঢাকায় 'মুক্তি পতাকার' গণমিছিল। বিকেল ৩:৩০ টায় মুক্তি ভবন থেকে মিছিল শুরু হয়ে শিখা চিরন্তনে গিয়ে শেষ হবে। ৯ ডিসেম্বর : দেশব্যাপী শহীদ মিনারে 'শপথ অনুষ্ঠান'। ১৪ ডিসেম্বর : 'শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস' পালন। সারাদেশে আলোচনা সভা। ঢাকায় ১৩ ডিসেম্বর বিকেল ৪ টায় মৈত্রী মিলনায়তনে আলোচনা সভা। ১৬ ডিসেম্বর : 'বিজয় দিবস' পালন। সারাদেশে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। ঢাকায় ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৭-৩০ ডিসেম্বর : 'জাগরণ পক্ষে' দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডে সভা, সমাবেশ, শোভাযাত্রা ইত্যাদি। ৩১ ডিসেম্বর : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে জেলা সদরে সমাবেশ ও গণমিছিল।
সিপিবির কর্মসূচি : ৪ ডিসেম্বর : ঢাকায় 'মুক্তি পতাকার' গণমিছিল। বিকেল ৩:৩০ টায় মুক্তি ভবন থেকে মিছিল শুরু হয়ে শিখা চিরন্তনে গিয়ে শেষ হবে। ৯ ডিসেম্বর : দেশব্যাপী শহীদ মিনারে 'শপথ অনুষ্ঠান'। ১৪ ডিসেম্বর : 'শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস' পালন। সারাদেশে আলোচনা সভা। ঢাকায় ১৩ ডিসেম্বর বিকেল ৪ টায় মৈত্রী মিলনায়তনে আলোচনা সভা। ১৬ ডিসেম্বর : 'বিজয় দিবস' পালন। সারাদেশে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। ঢাকায় ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৭-৩০ ডিসেম্বর : 'জাগরণ পক্ষে' দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডে সভা, সমাবেশ, শোভাযাত্রা ইত্যাদি। ৩১ ডিসেম্বর : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে জেলা সদরে সমাবেশ ও গণমিছিল।




.jpg)





.jpg)








No comments: